https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে - Gaibandha Online Portal

Breaking News

জামায়াতসহ ১১ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে

 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের আলোচনা ও ধারাবাহিক বৈঠকের পর নীতিগত বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের আলোচনা ও ধারাবাহিক বৈঠকের পর নীতিগত বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।  রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, যুগপৎ আন্দোলন, দাবিদাওয়া ও কৌশলগত সহযোগিতা—এসব বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। কয়েকটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে শেষ দফার আলোচনা চলছে, যা সম্পন্ন হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।  আলোচনায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলাই এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, “ভিন্ন মতাদর্শ থাকলেও গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে আমরা একমত।”  জামায়াতের এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, এই সমঝোতা কোনো একক দলের স্বার্থে নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করতেই এই উদ্যোগ। একই সুর শোনা গেছে অন্য শরিক দলগুলোর নেতাদের বক্তব্যেও।  রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ১১ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত হয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও কর্মসূচিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  এদিকে সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও বিস্তারিত রূপরেখার অপেক্ষায় রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, যুগপৎ আন্দোলন, দাবিদাওয়া ও কৌশলগত সহযোগিতা—এসব বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। কয়েকটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে শেষ দফার আলোচনা চলছে, যা সম্পন্ন হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

আলোচনায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলাই এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, “ভিন্ন মতাদর্শ থাকলেও গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে আমরা একমত।”

জামায়াতের এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, এই সমঝোতা কোনো একক দলের স্বার্থে নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করতেই এই উদ্যোগ। একই সুর শোনা গেছে অন্য শরিক দলগুলোর নেতাদের বক্তব্যেও।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ১১ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত হয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও কর্মসূচিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও বিস্তারিত রূপরেখার অপেক্ষায় রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷