https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 ঈদের দিন কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারত ফেরতদের খোঁজ নেয়নি কেউ - Gaibandha Online Portal

Breaking News

ঈদের দিন কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারত ফেরতদের খোঁজ নেয়নি কেউ

 হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে ফিরে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা ঈদ করলেন আবাসিক হোটেলে। ঈদের দিন তাদের কেউ কোনো খোঁজ-খবর রাখেনি, এমনকি উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির পক্ষ থেকেও কোনো খাবার দেওয়া দেয়া হয়নি। তারা হোটেলের খাবার খেয়ে আবাসিক হোটেলের চার দেয়ালে দিন কাটিয়েছেন।

 হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকার পর ভারতে আটকে থাকা পাসপোর্ট যাত্রীদের দেশে অভ্যন্তরে আগমনের অনুমতি দেয় সরকার। গত ১৯ মে থেকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে এ পর্যন্ত ৩৩৭ জন পাসপোর্টধারী ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করেন। এদের নিজ খরচে ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে বাধ্যতামূলক রাখা হয় হিলি ও বিরামপুরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে। এদের মধ্যে ৩১৩ জন ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন শেষে নিজ বাড়িতে ফিরেন। ২৪ জন এখনো হিলির বিভিন্ন হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন রয়েছেন।

ঈদের দিন সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করলেও তারা নিজ দেশে ফিরেও রয়েছেন চার দেয়ালে বন্দী। ঈদের দিন তাদের ভাগ্যে জোটেনি কোনো উন্নত মানের খাবার। তারা ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার প্রহর গুনছে। তাদের আক্ষেপ- সরকার জেলখানা, হাসপাতাল, মাদরাসাসহ বিভিন্ন স্থানে ঈদের দিন উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করলেও তাদের ভাগ্যে কোনো উন্নত মানের খাবার জোটেনি। এমনকি কেউ ভুল করেও তাদের খোঁজ-খবর নেয়নি। তারা ঈদের নামাজও জামায়াতের সঙ্গে আদায় করতে পারেনি।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, তারা ভারত থেকে করোনা টেস্ট নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে দেশে আসার পর আবার এন্টিজেন টেস্ট করেছেন, সেখানেও নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরপরও উপজেলা প্রশাসন তাদেরকে বাধ্যতামূলক নিজ খরচে আবাসিক হোটেলে হোম কোয়ারেন্টিনে রেখেছেন। ভারত থেকে শত শত ট্রাক চালক ও হেলপার বিনা টেস্টে আসছে কিন্তু তাদের কিছু বলা হচ্ছে না। তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে না। অথচ আমাদের বেলায় যতো কঠোর বিধি-নিষেধ। আমরা কেমন আছি কেউ খোঁজ-খবর নিচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, এ পর্যন্ত ৩৩৭ জন ভারত থেকে দেশে এসেছে তাদের মধ্যে ৩১৩ জন ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিন শেষে নিজ বাড়িতে ফিরেছে। ২৪ জন প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে আছে। এদের খোঁজ-খবর ও দেখভাল করার জন্য একটি টিম রয়েছে তবে সরকারীভাবে কোনো বরাদ্দ তাদের জন্য নেই।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷